Best ever ফজরের নামাজ কয় রাকাত সূর্যোদয়ের পর কিভাবে পড়তে হয় হাদিস শিক্ষা শেষে দোয়া কাযা করনীয় নিয়ম স্ত্রী সহবাসের পর নিয়ম সুন্নত না ফরজ কবিতা মেয়েদের না পড়ার শাস্তি 2022

1

ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ কয় রাকাত ,ফজরের নামাজ কত রাকাত,সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কয়টায়,ফজরের নামাজ নিয়ে হাদিস,ফজরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি,ফজরের নামাজ কয়টা পর্যন্ত পড়া যায়,ফজরের নামাজ শিক্ষা,ফজরের নামাজ শেষে দোয়াফজরের নামাজ পড়লে কি হয়,ফজরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কাযা পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কাজা হলে কি করনীয়,মহিলাদের ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,সূর্যোদয়ের সময় ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়লে কি হয়,স্বপ্নদোষ হলে ফজরের নামাজ কিভাবে পড়বো,ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কয়টায় শুরু হয়,ফজরের নামাজ পড়ার শেষ সময়,ফজরের নামাজ না পড়লে কি শাস্তি,স্ত্রী সহবাসের পর ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ পড়ার সময়,ফজরের নামাজ কি সূর্য উঠার পর পড়া যায়,ফজরের নামাজ দেরিতে পড়লে,সূর্য উঠার পর ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ আগে সুন্নত না ফরজ,ফজরের নামাজ নিয়ে কবিতা,মেয়েদের ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়ার শাস্তি,নামাজ সম্পর্কে সকল তথ্য আপনার আশা করি এই পেইজে পেয়ে যাবেন যে যে ফজরের নামাজ সম্পর্কে নানান তথ্য জানতে চান তারা এই পেজে সঠিক উত্তর পেয়ে যাবেন |

ফজরের নামাজ
ফজরের নামাজ কয় রাকাত | ফজরের নামাজ কত রাকাত
সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ
ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম
ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়
ফজরের নামাজ কয়টায়
ফজরের নামাজ নিয়ে হাদিস
ফজরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি
ফজরের নামাজ কয়টা পর্যন্ত পড়া যায়
ফজরের নামাজ শিক্ষা
ফজরের নামাজ শেষে দোয়া
ফজরের নামাজ পড়লে কি হয়
ফজরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়
ফজরের নামাজ কাযা পড়ার নিয়ম
ফজরের নামাজ কাজা হলে কি করনীয়
মহিলাদের ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম
সূর্যোদয়ের সময় ফজরের নামাজ
ফজরের নামাজ না পড়লে কি হয়
স্বপ্নদোষ হলে ফজরের নামাজ কিভাবে পড়বো
ফজরের নামাজ কয়টায় শুরু হয়
ফজরের নামাজ পড়ার শেষ সময়
ফজরের নামাজ না পড়লে কি শাস্তি
স্ত্রী সহবাসের পর ফজরের নামাজ
ফজরের নামাজ পড়ার সময়
ফজরের নামাজ কি সূর্য উঠার পর পড়া যায়
ফজরের নামাজ দেরিতে পড়লে
সূর্য উঠার পর ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম
ফজরের নামাজ আগে সুন্নত না ফরজ
ফজরের নামাজ নিয়ে কবিতা
মেয়েদের ফজরের নামাজ
ফজরের নামাজ না পড়ার শাস্তি

ফজরের নামাজ

আমাদের এ ই-বুক গুরু অরগানাইজেশন সবাইকে স্বাগতম আপনাদের মাঝে অনেকে আছেন যেমন ফজরের নামাজ সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন জানতে চান এগুলো সব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমরা আজকের এই সাইটে হাজির হয়েছি আশাকরি আপনাদের এই সাইডে আমাদের এই তথ্যগুলো উপকারে আসবে |

ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ কয় রাকাত,ফজরের নামাজ কত রাকাত,সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কয়টায়,ফজরের নামাজ নিয়ে হাদিস,ফজরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি,ফজরের নামাজ কয়টা পর্যন্ত পড়া যায়,ফজরের নামাজ শিক্ষা,ফজরের নামাজ শেষে দোয়া,ফজরের নামাজ পড়লে কি হয়,ফজরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কাযা পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কাজা হলে কি করনীয়,মহিলাদের ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,সূর্যোদয়ের সময় ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়লে কি হয়,স্বপ্নদোষ হলে ফজরের নামাজ কিভাবে পড়বো,ফজরের নামাজ কয়টায় শুরু হয়,ফজরের নামাজ পড়ার শেষ সময়,ফজরের নামাজ না পড়লে কি শাস্তি,স্ত্রী সহবাসের পর ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ পড়ার সময়,ফজরের নামাজ কি সূর্য উঠার পর পড়া যায়,ফজরের নামাজ দেরিতে পড়লে,সূর্য উঠার পর ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ আগে সুন্নত না ফরজ,ফজরের নামাজ নিয়ে কবিতা,মেয়েদের ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়ার শাস্তি,
ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ কয় রাকাত,ফজরের নামাজ কত রাকাত,সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কয়টায়,ফজরের নামাজ নিয়ে হাদিস,ফজরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি,ফজরের নামাজ কয়টা পর্যন্ত পড়া যায়,ফজরের নামাজ শিক্ষা,ফজরের নামাজ শেষে দোয়া,ফজরের নামাজ পড়লে কি হয়,ফজরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কাযা পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কাজা হলে কি করনীয়,মহিলাদের ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,সূর্যোদয়ের সময় ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়লে কি হয়,স্বপ্নদোষ হলে ফজরের নামাজ কিভাবে পড়বো,ফজরের নামাজ কয়টায় শুরু হয়,ফজরের নামাজ পড়ার শেষ সময়,ফজরের নামাজ না পড়লে কি শাস্তি,স্ত্রী সহবাসের পর ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ পড়ার সময়,ফজরের নামাজ কি সূর্য উঠার পর পড়া যায়,ফজরের নামাজ দেরিতে পড়লে,সূর্য উঠার পর ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ আগে সুন্নত না ফরজ,ফজরের নামাজ নিয়ে কবিতা,মেয়েদের ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়ার শাস্তি,
ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ কয় রাকাত,ফজরের নামাজ কত রাকাত,সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কয়টায়,ফজরের নামাজ নিয়ে হাদিস,ফজরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি,ফজরের নামাজ কয়টা পর্যন্ত পড়া যায়,ফজরের নামাজ শিক্ষা,ফজরের নামাজ শেষে দোয়া,ফজরের নামাজ পড়লে কি হয়,ফজরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কাযা পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কাজা হলে কি করনীয়,মহিলাদের ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,সূর্যোদয়ের সময় ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়লে কি হয়,স্বপ্নদোষ হলে ফজরের নামাজ কিভাবে পড়বো,ফজরের নামাজ কয়টায় শুরু হয়,ফজরের নামাজ পড়ার শেষ সময়,ফজরের নামাজ না পড়লে কি শাস্তি,স্ত্রী সহবাসের পর ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ পড়ার সময়,ফজরের নামাজ কি সূর্য উঠার পর পড়া যায়,ফজরের নামাজ দেরিতে পড়লে,সূর্য উঠার পর ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ আগে সুন্নত না ফরজ,ফজরের নামাজ নিয়ে কবিতা,মেয়েদের ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়ার শাস্তি,
ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ কয় রাকাত,ফজরের নামাজ কত রাকাত,সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কয়টায়,ফজরের নামাজ নিয়ে হাদিস,ফজরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি,ফজরের নামাজ কয়টা পর্যন্ত পড়া যায়,ফজরের নামাজ শিক্ষা,ফজরের নামাজ শেষে দোয়া,ফজরের নামাজ পড়লে কি হয়,ফজরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কাযা পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কাজা হলে কি করনীয়,মহিলাদের ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,সূর্যোদয়ের সময় ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়লে কি হয়,স্বপ্নদোষ হলে ফজরের নামাজ কিভাবে পড়বো,ফজরের নামাজ কয়টায় শুরু হয়,ফজরের নামাজ পড়ার শেষ সময়,ফজরের নামাজ না পড়লে কি শাস্তি,স্ত্রী সহবাসের পর ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ পড়ার সময়,ফজরের নামাজ কি সূর্য উঠার পর পড়া যায়,ফজরের নামাজ দেরিতে পড়লে,সূর্য উঠার পর ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ আগে সুন্নত না ফরজ,ফজরের নামাজ নিয়ে কবিতা,মেয়েদের ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়ার শাস্তি,
ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ কয় রাকাত,ফজরের নামাজ কত রাকাত,সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কয়টায়,ফজরের নামাজ নিয়ে হাদিস,ফজরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি,ফজরের নামাজ কয়টা পর্যন্ত পড়া যায়,ফজরের নামাজ শিক্ষা,ফজরের নামাজ শেষে দোয়া,ফজরের নামাজ পড়লে কি হয়,ফজরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়,ফজরের নামাজ কাযা পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ কাজা হলে কি করনীয়,মহিলাদের ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,সূর্যোদয়ের সময় ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়লে কি হয়,স্বপ্নদোষ হলে ফজরের নামাজ কিভাবে পড়বো,ফজরের নামাজ কয়টায় শুরু হয়,ফজরের নামাজ পড়ার শেষ সময়,ফজরের নামাজ না পড়লে কি শাস্তি,স্ত্রী সহবাসের পর ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ পড়ার সময়,ফজরের নামাজ কি সূর্য উঠার পর পড়া যায়,ফজরের নামাজ দেরিতে পড়লে,সূর্য উঠার পর ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম,ফজরের নামাজ আগে সুন্নত না ফরজ,ফজরের নামাজ নিয়ে কবিতা,মেয়েদের ফজরের নামাজ,ফজরের নামাজ না পড়ার শাস্তি,

নামায হচ্ছে ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ। কোরআন ও হাদীসে সবচেয়ে বেশি যে ইবাদতের তাগিদ এসেছে তা হচ্ছে নামায। আর নামায সম্পর্কে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন ।

صَلُّوْا كَمَا رَأَيْتُمُوْنِى أُصَلِّى-

অর্থাৎ তোমরা সেভাবে নামায পড় যেভাবে আমাকে নামায পড়তে দেখ। (বোখারী, হাদীসঃ ৫৬৬২)

রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে পদ্ধতিতে নামায আদায় করেছেন, সেটিই নামাযের একমাত্র পদ্ধতি। এছাড়া অন্য কোন পদ্ধতিতে নামায পড়লে সেটি নামায বলে গণ্য হবে না। তাই নামাযকে নামাযের মত আদায় করতে হলে নামাযের সকল নিয়ম-কানুন, মাসয়ালা-মাসাঈল ভালভাবে জানতে হবে। তা-না হলে নামাযের দ্বারা লাভবান হওয়ার কোন সম্ভাবনাই থাকবে না।

এই কারণে এই বইটিতে নামাযের মাসয়ালাসমূহকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি এই বইটি মনোযোগ সহকারে অধ্যায়ন করলে সাধারণ মুসলমানগণ নামাযের ভুল-ভ্রান্তি থেকে বাঁচতে পারবে।

বইটি নির্ভুল রাখতে যথেষ্ট চেষ্টা করা হয়েছে তারপরও ভুল থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। যৌক্তিক কোন ভুল যদি কেউ পান তাহলে রেফারেন্সসহ জানানোর অনুরোধ রইল। পরবর্তী সংস্করণে সংশোধন করে নেব ইনশাআল্লাহ।

মহান আল্লাহ পাকের নিকট নামায সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।

আল্লাহ্ পাকের নিকট নামায অপেক্ষা প্রিয় ইবাদত আর কিছু নাই। আল্লাহ্ পাক মানুষের উপর দিনরাত পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করে দিয়েছেন। যারা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায আদায় করে তারা পরকালে বেহেশতের উত্তম স্থানে অবস্থান করিবে। এবং যাহারা নামায পড়েনা তাহারা জাহান্নামের নিকৃষ্টতম স্থানে অবস্থান করিবে। হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি ভালভাবে ওযু করে ভয় ও ভক্তি সহকারে রীতিমত নামায আদায় করে কিয়ামতের দিন আললাহ্ পাক তাহার সগীরা গুনাহ্ সমূহ ক্ষমা করে দিবেন এবং বেহেশতের উত্তম জায়গায় স্থান দিবেন।

আর একটি হাদীসে বর্ণিত আছে, নবী করীম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “নামায ইসলামের খুঁটি স্বরূপ”। অর্থাৎ ঘর যেমন খুটি ছাড়া তৈরী হয় না বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারেনা। ঠিক তেমনি ইসলামরূপ ঘর ও নামায নামক খুঁটি ছাড়া টিকতে পারেনা। যে ঠিকমত নামায কায়েম করল সে ইসলামকে জারী রাখতে সাহায্য করল। আর যে নামায কায়েম করল না সে যেন ইসলামকে ধ্বংস করে দিল। কিয়ামতের দিন সর্ব প্রথম নামাযের হিসাব নেওয়া হবে।

নামাযী ব্যক্তির হাত, পা, মুখমন্ডল কেয়ামতের দিন সূর্যের আলোর মত উজ্জল হবে। কিন্তু বেনামাযীর এর উল্টা ফল হবে এবং জাহান্নামী হবে। হাদীসে বর্ণিত আছে, কিয়ামতের ময়দানে নামাযীগণ নবী, শহীদ ও অলীগণেরর সঙ্গে থাকিবে। এবং বেনামাযীরা, ফেরাউন, সাদ্দাদ, হামান, কারূনের এবং আরও বড় বড় কাফেরদের সাথে থাকবে।

প্রত্যেক ব্যক্তির নামায পড়া একান্ত প্রয়োজন। নামায না পড়িলে আখেরাতে এবং দুনিয়ায় প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হইতে হইবে। নামায কাহারও জন্য মাফ নাই। কোন অবস্থায়ই নামায বাদ দেয়া জায়েয নাই, রুগ্ন, খোড়া, বধির, অন্ধ, আতুর, বোবা যে যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থায়ই নামায আদায় করতে হবে। আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে বলেছেন –

قَدْ اَلفْلَحَ الْمُؤْ مِنُوْنَ الَّذِيْنَ هُمْ صَلَوتِهِمْ خَاشِعُوْنَ

উচ্চারণঃ ক্বাদ আফলাহাল মুমিনুনাল লাজিনাহুম ছালাতিহিম খাশিউন।

হযরত আদম (আঃ) হইতে আরম্ভ করিয়া শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত দুনিয়াতে যত নবী রাসুল আসিয়াছেন তাঁহাদের প্রত্যেকের উপর এবং তাঁহাদের উম্মতদের উপর নামায পড়া ফরয ছিল। কোন নবীর প্রতি ১০ ওয়াক্ত, কারও প্রতি ৩০ ওয়াক্ত, কারও প্রতি ৫০ ওয়াক্ত, কারও প্রতি ৪০ ওয়াক্ত নামায ফরয ছিল। শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) যখন মেরাজে গমন করেন, তখন আললাহ্ পাক ৫০ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছিলেন এবং পর্যায়ক্রমে কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন। কিন্তু আখেরী জামানার উম্মতগণ ৫ ওয়াক্ত নামায পড়িলেই ৫০ ওয়াক্ত নামাযের সওয়াব পাইবে।

নামায আল্লাহ্ পাকের একটি উপহার। যাহারা আললাহ্ পাকের দেয়া এই উপহার অবহেলা করবে বা অবজ্ঞা প্রকাশ করবে তাহারা কখনই আললাহ্ পাকের প্রিয় বান্দা হইতে পারবে না। আল্লাহ্ পাক নামাযের ফজিলত সম্মন্ধে কোরআন পাকে বলেছেন –

وَالَّذِيْنَ هُمْ عَلَى صَلَوتِهِمِِ يُحَا فِظُوْنَ اُولَئِكَفِىْ جَنَّتِمُّكْرَمُوْنَا

উচ্চারনঃ ওয়াল্লাজিনা হুম আলা ছালাওয়াতিহিম ইউহাফিজুনা উলাইকা ফি জান্নাতিম মুকরামুন।

অর্থঃ-যে সমস্ত লোক যত্ন সহকারে নামায আদায় করবে তাহারাই বেহেশতে যাইবে এবং অশেষ সম্মানের অধিকারী হইবে।

নবী করীম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামায যেমন তোমাদের বাড়ীর সামনে দিয়া প্রবাহিত একটি নদীর মত। তোমরা যদি প্রতিদিন ৫ বার ঐ নদীতে গোসল কর, তবে যেমন তোমাদের শরীরে কোন ময়লা-আবর্জনা থাকতে পারেনা, তেমনি যে ব্যক্তি পাঁচ বার নামায পড়ে কোন প্রকার পাপ তাকে স্পর্শ করতে পারেনা।

নবী পাক (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন, যখন কোন ব্যক্তি ভক্তি সহকারে অজু করে, ভয় মিশ্রিত ভাবে নামায পড়ে, আল্লাহ্ পাক তাহার জন্য দোযখের আগুন হারাম করে দেন। কিয়ামতের দিন নামাযই ঐ ব্যক্তিকে দোযখের আগুন হইতে বাঁচাইয়া বেহেশতে নিয়া যাইবে। নামায পড়ার সময় যদি কপালে ধুলা মাটি ভরিয়া যায় তবে তাহা পরিস্কার করবেনা। কারণ যতক্ষন না মাটি কপালে থাকে ততক্ষণ আল্লাহ পাকের রহমত বর্ষিত হইতে থাকে।

হযরত আদম (আঃ) এর উপর ফজরের নামায, হযরত দাউদ (আঃ) এর উপর জোহরের নামায, হযরত সোলায়মান (আঃ) এর উপর আছরের নামায, হযরত ইয়াকুব (আঃ) এর উপর মাগরিবের নামায, এবং হযরত ইউনুছ (আঃ) এর উপর এশার নামায ফরয করা হয়েছিল। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত নামায ঠিকমত ভক্তি সহকারে আদায় করবে, সে উপরের পাঁচজন নবী রাসূলের সমান সওয়াব পাইবে।হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, নবী করীম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) আমার সাথে আলাপ করছিলেন। এমন সময় নামাযের ওয়াক্ত হইল। তিনি তখনই উঠিয়া দাঁড়াইলেন। তাঁহার শরীরের রং এবং চেহারা পরিবর্তন হইয়া গেল। তাঁহার ভাব দেখিয়া আমার মনে হইতেছিল তিনি আমাকে চিনিতে পারিতেছেন না।

আমি নবী পাক (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) কে ইহার কারণ জিজ্ঞাস করলে তিনি বলিলেন, হে আয়েশা! ইহা আললাহ পাকের আদেশ প্রতি পালনের সময়। এসময়ে প্রত্যেকের এই আহবানে ভয় হওয়া উচিত। নবী করীম (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন কোন বান্দা অযু করিয়া জায়নামাযে দাঁড়ায়, তখন আল্লাহ পাক একজন ফেররেশতাকে পাঠাইয়া তাকে বলিয়া দেন যে, আমার অমুক বান্দা নামায পড়িবার জন্য প্রস্তুত হইতেছে, কিন্তু তাহার শরীরের পূর্বের পাপরাশি সঞ্চিত আছে।

ফজর নামাজ চার রাকাত

১. দুই-রাক’আত সুন্নত।
২. দুই-রাক’আত ফরজ।

ফজরের নামাজ কয় রাকাত | ফজরের নামাজ কত রাকাত

ফরজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজের নিয়ত সমূহঃ

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ سُنَّةُ رَسُوْلُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতু আন উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে সুন্নাতু রাছুলিল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

♦ বাংলা অর্থ
ফজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম,আল্লাহু আকবার।

♦♦♦ ফরজরের দুই-রাক’আত ফরজ নামাজের নিয়ত সমূহঃ

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ فَرْضُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতু আন উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে ফারযুল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

বিঃদ্রঃ-ঈমামের পিছনে পড়লে ফারদীল্লা-হি তাআ’লা বলার পরে ইকতাদাইতু বিহা-যাল ইমাম বলবে।

♦ বাংলা অর্থ
ফজরের দুই-রাক’আত ফরয নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম,আল্লাহু আকবার।

♦♦♦ ফজর নামাজের তাসবিহ

♦ উচ্চারণঃ হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।
♦ অর্থঃ তিনি চির জীবত ও চিরস্থায়ী।

♦ বিঃদ্রঃ- ফজর নামাজের শেষে ১০০ বার পাঠ করার তাসাবীহ্‌।

সূর্যোদয়ের পর ফজরের নামাজ

সূর্যোদয়ের সময়, ঠিক দ্বিপ্রহর এবং সূর্যাস্তের সময় যে কোন নামায পড়া, সিজদার তেলাওয়াত করা জায়েয নাই। যদি আছরের নামায না পড়িয়া থাকে তবে শুধু মাত্র ঐ দিনকার আছরের নামায সূর্যাস্তের সময় পড়িতে পারিবে । তবে উহাও মাকরূহ তাহারীমির সাথে আদায় হইবে । সুন্নত ও নফল নামাযের নিষিদ্ধ সময়

১) ফজরের সময় হইলে ফজরের সুন্নত দুই রাকাআত ছাড়া অন্য কোন সুন্নত বা নফল পড়া।

২) সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত ।

৩) উভয় ঈদের নামায পড়া পর্যন্ত। এই সমস্ত সময় নামায পড়া মাকরূহ । কাযা, জানাযা নামায, সিজদায়ে তেলাওয়াত করা জায়েয আছে ।

৪) ফরয নামাযের ইক্বামত বা জামাতের সময় ও সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।

৫) নামাযের সময় সংকীর্ণ হইলে ওয়াক্তিয়া ফরয ব্যতীত অন্য যে কোন নামায পড়া মাকরূহ ।

৬)জুমআর খুৎবার জন্য ইমাম মিম্বরে দাঁড়াইলেই সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।

ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম | ফজরের নামাজ কিভাবে পড়তে হয়


ফজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম,আল্লাহু আকবার।

♦♦♦ ফরজরের দুই-রাক’আত ফরজ নামাজের নিয়ত সমূহঃ

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ فَرْضُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতু আন উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে ফারযুল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

বিঃদ্রঃ-ঈমামের পিছনে পড়লে ফারদীল্লা-হি তাআ’লা বলার পরে ইকতাদাইতু বিহা-যাল ইমাম বলবে।

ফজরের নামাজ কয়টায়

গরমে ৪:৪০
শীতকালে ৫:৫০

ফজরের নামাজ নিয়ে হাদিস

আয়াত নং-১:

اِنَّ الصَّلٰوةَ تَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ-

অর্থাৎ- নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশ্লীল ও ঘৃণিত কাজ থেকে বিরত রাখে। সূরা: আনকাবূত, আয়াত-৪৫

আয়াত নং-২

حٰفِظُوْا عَلَى الصَّلٰوتِ وَالصَّلٰوةِ الْوُسْطٰىْ وَقُوْمُوْا لِلّٰهِ قٰنِتِيْنَ-

অর্থাৎ- সজাগ দৃষ্টি রেখ সমস্ত নামাযের প্রতি এবং মধ্যবর্তী নামাযের প্রতি। আর আল্লাহর সামনে আদব সহকারে দাড়াও। (সূরাঃ বাকারা, আয়াত: ২৩৮) |

ফজরের নামাজ কয় রাকাত ও কি কি

ফজর নামাজ চার রাকাত

১. দুই-রাক’আত সুন্নত।
২. দুই-রাক’আত ফরজ।

ফজরের নামাজ কয়টা পর্যন্ত পড়া যায়

ফজরঃ-পাখি ডাকা ভোরে কিছুটা আঁধার থাকতেই অর্থাৎ সকালের আভা ছড়িয়ে পড়ার আগেই এই নামাজ আদায় করে নেয়া ভাল। তবে এই ক্ষেত্রে বিশেষে প্রয়োজনে সূর্যের উদীয়মান প্রথম অংশ পূর্ব দিগন্ত রেখা অতিক্রম করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নামাজ আদায় করে নেয়া যেতে পারে। সূর্যোদয়ের সময় নামাজ পড়া নিষেধ।

ফজরের নামাজ শিক্ষা

নামায হচ্ছে ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ। কোরআন ও হাদীসে সবচেয়ে বেশি যে ইবাদতের তাগিদ এসেছে তা হচ্ছে নামায। আর নামায সম্পর্কে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

صَلُّوْا كَمَا رَأَيْتُمُوْنِى أُصَلِّى-

অর্থাৎ তোমরা সেভাবে নামায পড় যেভাবে আমাকে নামায পড়তে দেখ। (বোখারী, হাদীসঃ ৫৬৬২)

রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে পদ্ধতিতে নামায আদায় করেছেন, সেটিই নামাযের একমাত্র পদ্ধতি। এছাড়া অন্য কোন পদ্ধতিতে নামায পড়লে সেটি নামায বলে গণ্য হবে না। তাই নামাযকে নামাযের মত আদায় করতে হলে নামাযের সকল নিয়ম-কানুন, মাসয়ালা-মাসাঈল ভালভাবে জানতে হবে। তা-না হলে নামাযের দ্বারা লাভবান হওয়ার কোন সম্ভাবনাই থাকবে না।

এই কারণে এই বইটিতে নামাযের মাসয়ালাসমূহকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি এই বইটি মনোযোগ সহকারে অধ্যায়ন করলে সাধারণ মুসলমানগণ নামাযের ভুল-ভ্রান্তি থেকে বাঁচতে পারবে।

বইটি নির্ভুল রাখতে যথেষ্ট চেষ্টা করা হয়েছে তারপরও ভুল থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। যৌক্তিক কোন ভুল যদি কেউ পান তাহলে রেফারেন্সসহ জানানোর অনুরোধ রইল। পরবর্তী সংস্করণে সংশোধন করে নেব ইনশাআল্লাহ।

ফজরের নামাজ শেষে দোয়া

রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখেরাতে হাসানাতাও ওয়াকিনা আজাবান্নার |

ফজরের নামাজ পড়লে কি হয়

আল্লাহ্ পাক মানুষের উপর দিনরাত পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করে দিয়েছেন। যারা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামায আদায় করে তারা পরকালে বেহেশতের উত্তম স্থানে অবস্থান করিবে। এবং যাহারা নামায পড়েনা তাহারা জাহান্নামের নিকৃষ্টতম স্থানে অবস্থান করিবে। হাদীসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি ভালভাবে ওযু করে ভয় ও ভক্তি সহকারে রীতিমত নামায আদায় করে কিয়ামতের দিন আললাহ্ পাক তাহার সগীরা গুনাহ্ সমূহ ক্ষমা করে দিবেন এবং বেহেশতের উত্তম জায়গায় স্থান দিবেন।

ফজরের নামাজ কয় রাকাত কিভাবে পড়তে হয়

ফজর নামাজ চার রাকাত

১. দুই-রাক’আত সুন্নত।
২. দুই-রাক’আত ফরজ।

♦♦♦ ফরজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজের নিয়ত সমূহঃ

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ سُنَّةُ رَسُوْلُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতু আন উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে সুন্নাতু রাছুলিল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

♦ বাংলা অর্থ
ফজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম,আল্লাহু আকবার।

ফজরের নামাজ কাযা পড়ার নিয়ম | ফজরের নামাজ কাজা হলে কি করনীয়

কাযা নামাজ এবং ওয়াক্তিয়া নামাজের নিয়ত একই রকম তবে এইটুক পার্থক্য যে কাযা নামাজে (আন উসালি্লয়া) শব্দের জায়গায় (আন আকদিয়া) এবং যে নামাজ তাহার নাম বলিয়া (আল ফাইতাতে বলিতে হইবে। যথা- ফরজ অথবা আছরের নামা্জ কাযা হইলে নিম্নরূপ নিয়ত পড়তে হবে

♦♦♦ ফজর নামাজের কাযার-দুই-রাক’আত ফরজ এর নিয়ত

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَايْتُ اَنْ اَقْضِ لِلَّّهِ تَعَالَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِالْفَائِتَةِ فَرْضُ اللَّهِ تَعَالَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতুয়ান আকদিয়া লিল্লাহি ত’আলা রাকাআতি ছালাতিল ফাজরি ফায়েতাতি ফারযুল্লাহি তা’আলা মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

♦ বাংলা অর্থ
আমি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে ফজরের ফরজ দুই রাকাত কাযা নামাজ আদায় করছি। আল্লাহু আকবার।

♦♦♦ আছর নামাজের কাযার-চার-রাক’আত ফরজ এর নিয়ত

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اَقْضِىَ لِلَّهِ تَعَا لَى اَرْبَعَ رَكْعَاتِ صَلَوةِ الْعَصْرِ الْفَا ئِتَةِ فَرْضُاللَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِالشَّرِيْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতুয়ান আকদিয়া লিল্লাহি ত’আলা আরবায়া রাকাআতি ছালাতিল আছরিল ফায়েতাতি ফারযুল্লাহি তা’আলা মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

♦ বাংলা অর্থ
আমি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহর উদ্দেশ্যে আছরের ফরজ চার রাকাত কাযা নামাজ আদায় করছি। আল্লাহু আকবার।

♦♦♦ কাযা নামাজ এর নিয়ম

যে কোন জরুরী কারণে সময়মত নামাজ পড়তে না পারিলে ঐ নামাজ অন্য নামাযের পূর্বে আদায় করাকে কাযা নামাজ বলে।

♦♦♦ কাযা নামাজ দুই প্রকার যথা-

১। ‘ফাওয়ায়েতে কালীল’ অর্থাৎ অল্প কাযা পাঁচ ওয়াক্ত পরিমাণ নামাজ কাযা হইলে উহাকেই ‘ফাওয়ায়েতে কালীল’ বা অল্প কাজা বলে।

২। ‘ফাওয়ায়েতে কাছির’ অর্থাৎ বেশি কাযা। পাঁচ ওয়াক্তের অধিক যত দিনের নামাজই কাযা হউক না কেন উহাকে ‘ফাওয়ায়েতে কাছির’ বা অধিক কাযা বলা হয়। এ ধরনের কাযা নামাজ সকল ওয়াক্তিয়া নামাযজর পূর্বে পড়িবে । কিন্তু, (ক) কাযার কথা ভুলিয়া গেলে অথবা খ) ওয়াক্তিয়া নামাযজর ওয়াকত সস্কীর্ণ হইয়া গেলে বা গ) কাযা পাঁচ ওয়াক্তের বেশী হইলে কাযা নামাজ পরে পড়া যাইতে পারে।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বা তার কম নামাজ না পড়িয়া থাকিলে তাহার তরতীবের প্রতি লক্ষ্য রাখিতে হইবে। আগের নামাজ আগে, পরের নামাজ পরে পড়িতে হইবে। যথাঃ কোন ব্যক্তির ফরজ এবং যোহরের নামাজ তরক হইয়া গিযাছে; এখন আছরের নামাজ পড়িবার পূর্বে সর্ব প্রথম ফজরের কাযা তারপর যোহরের কাযা আদায় করিতে হইবে। তারপর আছরের ওয়াক্তিযা নামাজ আদায় করিবে।

১) ফরয নামাজের কাযা ফরয।

২) ওয়াজিব নামাজের কাযা ওয়াজিব।

৩) সুন্নত নামাযের কাযা পড়িতে হয় না। কিন্তু ফজরের সুন্নতের কাযা আদায় করিতে হইব।

৪) কাযা নামাজ জামায়াতের সহিত আদায় করিলে ইমাম কেরাত জোরে পড়িবেন। তবে যোহর এবং আছরে চুপে চুপে পড়িবেন।

৫) এক মাস বা তার চেয়ে বেশী দিনের নামাজ কাযা হইয়া থাকিলে উক্ত পরিমাণ সময়ের কাযা আদায় করিবে এবং তরতীবের প্রতি লক্ষ্য রাখিবে।

৬) জীবনে যে নামাজ পড়ে নাই বা কত নামাজ তরক করিয়াছে তাহার হিসাবও নাই। সে যদি এখন কাযা করিতে চায়, তবে প্রথমে নামাজের পূর্বে তরতীব অনুযায়ী কাযা আদায় করিতে থাকিব, ইহাকে ‘ওমরী কাযা’ বলে। ইহাতে অশেষ ছওয়াব আছে। কাযা নামাজের নিয়ত করিবার সময় নামাজের উল্লেখ করিয়া নিয়ত করিতে হইবে |

মহিলাদের ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম

ফজর নামাজ চার রাকাত

১. দুই-রাক’আত সুন্নত।
২. দুই-রাক’আত ফরজ।

♦♦♦ ফরজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজের নিয়ত সমূহঃ

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ سُنَّةُ رَسُوْلُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতু আন উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে সুন্নাতু রাছুলিল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

♦ বাংলা অর্থ
ফজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম,আল্লাহু আকবার।

♦♦♦ ফরজরের দুই-রাক’আত ফরজ নামাজের নিয়ত সমূহঃ

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ فَرْضُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতু আন উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে ফারযুল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

সূর্যোদয়ের সময় ফজরের নামাজ

সূর্যোদয়ের সময়, ঠিক দ্বিপ্রহর এবং সূর্যাস্তের সময় যে কোন নামায পড়া, সিজদার তেলাওয়াত করা জায়েয নাই। যদি আছরের নামায না পড়িয়া থাকে তবে শুধু মাত্র ঐ দিনকার আছরের নামায সূর্যাস্তের সময় পড়িতে পারিবে । তবে উহাও মাকরূহ তাহারীমির সাথে আদায় হইবে । সুন্নত ও নফল নামাযের নিষিদ্ধ সময়

১) ফজরের সময় হইলে ফজরের সুন্নত দুই রাকাআত ছাড়া অন্য কোন সুন্নত বা নফল পড়া।

২) সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত ।

৩) উভয় ঈদের নামায পড়া পর্যন্ত। এই সমস্ত সময় নামায পড়া মাকরূহ । কাযা, জানাযা নামায, সিজদায়ে তেলাওয়াত করা জায়েয আছে ।

৪) ফরয নামাযের ইক্বামত বা জামাতের সময় ও সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।

৫) নামাযের সময় সংকীর্ণ হইলে ওয়াক্তিয়া ফরয ব্যতীত অন্য যে কোন নামায পড়া মাকরূহ ।

৬)জুমআর খুৎবার জন্য ইমাম মিম্বরে দাঁড়াইলেই সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।

ফজরের নামাজ না পড়লে কি হয়

আল্লামা ইবনে হযরত মক্কী (রহঃ) ফাজায়েলে আ‘মাল মিনাল জাওয়াযের নামক গ্রন্থে একটি হাদিস উল্লেখ করেন। হাদিসটি হলো নিম্নরূপ : যে ব্যক্তি নামাজের ব্যাপারে অলসতা করে তাকে ১৫ ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে।

আল্লাহ্ পাকের ১৫ টি আজাব সমূহঃ

১.ছয়টি ধরনের শাস্তি দুনিয়াতে
২.তিন ধরনের শাস্তি মৃত্যুর সময়।
৩.তিন ধরনের শাস্তি কবরে।
৪.হাশরের মাঠে তিনটি আজাব |

স্বপ্নদোষ হলে ফজরের নামাজ কিভাবে পড়বো

পরিষ্কার হয়ে ফজরের নামাজ পড়বো

ফজরের নামাজ কয়টায় শুরু হয়

গরমে ৪:৪০
শীতকালে ৫:৫০ ।

ফজরের নামাজ পড়ার শেষ সময়

পাখি ডাকা ভোরে কিছুটা আঁধার থাকতেই অর্থাৎ সকালের আভা ছড়িয়ে পড়ার আগেই এই নামাজ আদায় করে নেয়া ভাল। তবে এই ক্ষেত্রে বিশেষে প্রয়োজনে সূর্যের উদীয়মান প্রথম অংশ পূর্ব দিগন্ত রেখা অতিক্রম করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নামাজ আদায় করে নেয়া যেতে পারে। সূর্যোদয়ের সময় নামাজ পড়া নিষেধ।

ফজরের নামাজ না পড়লে কি শাস্তি

তিন ধরনের শাস্তি কবরে যেমন- তাহার কবর এমন সংকীর্ণ হবে যে তাহার এক পাশের হাড় অপর পাশের হাড়ের সংগে মিলিত হইয়া চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যাইবে। তাহার কবরে, দিনরাত্রি সবসময় আগুন জ্বালাইয়া রাখা হবে। আল্লাহ্ তাহার কবরে একজন আজাবের ফেরেশ্তা নিযুক্ত করিবেন। তাহার হাতে লোহার মুগুর থাকবে। সে মৃত ব্যক্তিকে বলতে থাকবে যে,দুনিয়ায় কেন নামায পড় নাই। আজ তাহার ফল ভোগ কর। এই বলিয়া ফজর নামায না পড়ার জন্য ফজর হইতে জোহর পর্যন্ত, জোহর নামাযের জন্য জোহর থেকে আছর পর্যন্ত, আছরের নামাযের জন্য আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত, মাগরিবের নামাযের জন্য মাগরিব হইতে এশা পর্যন্ত এবংএশার নামাযের জন্য এশা হইতে ফজর পর্যন্ত লোহার মুগুর দ্বারা আঘাত করতে থাকবে।

স্ত্রী সহবাসের পর ফজরের নামাজ

যৌন উত্তেজনাবশতঃ বীর্য বের হলে, পরিষ্কার হয়ে ফজরের নামাজ পড়বো ।

২. স্বপ্নদোষ হলে, পরিষ্কার হয়ে ফজরের নামাজ পড়বো ।

৩. স্ত্রী সহবাস করলে, পরিষ্কার হয়ে ফজরের নামাজ পড়বো ।

৪. পুরুষের লিঙ্গের অগ্রভাগ স্ত্রীর লিঙ্গে প্রবেশ করালে (বীর্যপাত হোক বা না-ই হোক) পরিষ্কার হয়ে ফজরের নামাজ পড়বো ।

৫. মেয়েদের হায়েয বা নেফাস হলে, পরিষ্কার হয়ে ফজরের নামাজ পড়বো ।

৬. সমকাম বা হস্ত মৈথুন করলে। পরিষ্কার হয়ে ফজরের নামাজ পড়বো ।

ফজরের নামাজ পড়ার সময়

সূর্যের উদীয়মান প্রথম অংশ পূর্ব দিগন্ত রেখা অতিক্রম করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নামাজ আদায় করে নেয়া যেতে পারে। সূর্যোদয়ের সময় নামাজ পড়া নিষেধ।

ফজরের নামাজ কি সূর্য উঠার পর পড়া যায়

সূর্যোদয়ের সময়, ঠিক দ্বিপ্রহর এবং সূর্যাস্তের সময় যে কোন নামায পড়া, সিজদার তেলাওয়াত করা জায়েয নাই। যদি আছরের নামায না পড়িয়া থাকে তবে শুধু মাত্র ঐ দিনকার আছরের নামায সূর্যাস্তের সময় পড়িতে পারিবে । তবে উহাও মাকরূহ তাহারীমির সাথে আদায় হইবে । সুন্নত ও নফল নামাযের নিষিদ্ধ সময়

১) ফজরের সময় হইলে ফজরের সুন্নত দুই রাকাআত ছাড়া অন্য কোন সুন্নত বা নফল পড়া।

২) সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামায পড়ার পূর্ব পর্যন্ত ।

৩) উভয় ঈদের নামায পড়া পর্যন্ত। এই সমস্ত সময় নামায পড়া মাকরূহ । কাযা, জানাযা নামায, সিজদায়ে তেলাওয়াত করা জায়েয আছে ।

৪) ফরয নামাযের ইক্বামত বা জামাতের সময় ও সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।

৫) নামাযের সময় সংকীর্ণ হইলে ওয়াক্তিয়া ফরয ব্যতীত অন্য যে কোন নামায পড়া মাকরূহ ।

৬)জুমআর খুৎবার জন্য ইমাম মিম্বরে দাঁড়াইলেই সুন্নত বা নফল পড়া মাকরূহ ।

ফজরের নামাজ দেরিতে পড়লে

সকালের আভা ছড়িয়ে পড়ার আগেই এই নামাজ আদায় করে নেয়া ভাল। তবে এই ক্ষেত্রে বিশেষে প্রয়োজনে সূর্যের উদীয়মান প্রথম অংশ পূর্ব দিগন্ত রেখা অতিক্রম করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত নামাজ আদায় করে নেয়া যেতে পারে। সূর্যোদয়ের সময় নামাজ পড়া নিষেধ।

সূর্য উঠার পর ফজরের নামাজ পড়ার নিয়ম

ফজর নামাজ চার রাকাত

১. দুই-রাক’আত সুন্নত।
২. দুই-রাক’আত ফরজ।

♦♦♦ ফরজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজের নিয়ত সমূহঃ

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ سُنَّةُ رَسُوْلُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতু আন উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে সুন্নাতু রাছুলিল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

♦ বাংলা অর্থ
ফজরের দুই-রাক’আত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম,আল্লাহু আকবার।

♦♦♦ ফরজরের দুই-রাক’আত ফরজ নামাজের নিয়ত সমূহঃ

♦ আরবি-উচ্চারন
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ فَرْضُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ-

♦ বাংলা-উচ্চারন
নাওয়াইতু আন উসালিয়া-লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে ফারযুল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

বিঃদ্রঃ-ঈমামের পিছনে পড়লে ফারদীল্লা-হি তাআ’লা বলার পরে ইকতাদাইতু বিহা-যাল ইমাম বলবে।

♦ বাংলা অর্থ
ফজরের দুই-রাক’আত ফরয নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম,আল্লাহু আকবার।

♦♦♦ ফজর নামাজের তাসবিহ

♦ উচ্চারণঃ হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।
♦ অর্থঃ তিনি চির জীবত ও চিরস্থায়ী।

♦ বিঃদ্রঃ- ফজর নামাজের শেষে ১০০ বার পাঠ করার তাসাবীহ্‌।

ফজরের নামাজ আগে সুন্নত না ফরজ

সুন্নত ।

ফজরের নামাজ নিয়ে কবিতা । মেয়েদের ফজরের নামাজ

ফজর নামাজ চার রাকাত

১. দুই-রাক’আত সুন্নত।
২. দুই-রাক’আত ফরজ।

হাদীস নং-১:

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন-

قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بُنِىَ الْاِسْلَامُ عَلٰى خَمْسٍ شَهَادَةُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَاَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللّٰهِ وَاِقَامُ الصَّلٰوْةَ وَاِيْتَاءُ الزَّكٰوْةَ وَحَجُّ الْبَيْتِ وَصَوْمُ رَمَضَانَ- مُتَّفَقٌ عَلَيْةِ-

অর্থাৎ- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ইসলামের ভিত্তি ৫টি জিনিসের উপর স্থাপিত- ১. এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল।২. নামায কায়েম করা। ৩. যাকাত আদায় করা। ৪. বাইতুল্লাহর হজ্জ করা এবং ৫. রমযানের রোজা রাখা। (বোখারী ও মুসলিম)

হাদীস নং-২:

ইমাম আহমদ হাসান সনদে ও আবূ ইয়ালা কর্তৃক বর্ণিত। হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-

وَنَهَانِيْ عَنْ نَقْرَةٍ كَنَقْرَةِ الدَّيْكِ وَإِقْعَاءٍ كَإِقْعَاءِ الْكَلْبِ وَالْتِفَاتٍ كَالْتِفَاتِ الثَّعْلَبِ-

অর্থাৎ- নবী করিম সাল্লাল্লাহু তা’য়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযে তিনটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন। ১. মোরগের মত ঠোকর মারতে ২. কুকুরের মত বসতে এবং ৩. শৃগালের মত এদিক সেদিক তাকাতে। (আহমদ-২৯৯)

হাদীস নং-৩:

ইমাম বোখারী তারিখে এবং ইবনে হুযায়মা প্রমুখ হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ, হযরত আমর বিন আস, হযরত ইয়াযিদ বিন আবূ সুফিয়ান ও হযরত শারাহবীল বিন হাসনাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণনা করেন,

أَن رَسُوْلَ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهِ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى رَجُلًا لَا يُتِمَّ رُكُوْعَهُ يَنْقُرُ فِيْ سُجُوْدِهِ وَهُوَ يُصَلِّيْ- فَقَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَوْ مَاتَ هَذَا عَلَى حَالِهِ هَذِهِ مَاتَ عَلَى غَيْرِ مِلَّةِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَثَلُ الَّذِيْ لَا يُتِمُّ رُكُوْعَهُ وَيَنْقُرُ فِيْ سُجُوْدِهِ مَثَلُ الْجَائِعِ يَأكُلُ التَّمْرَةَ وَالتَّمْرَتَانِ لَا يُغْنِيَانِ عَنْهُ شَيْئًا-

অর্থাৎ- একদিন হুযুর আকদাস সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তিকে নামায আদায় করতে দেখলেন যে, রুকূ পুরোপুরিভাবে করছে না এবং সিজদায় ঠোকর মারছে। হুযুর নির্দেশ দিলেন, পরিপূর্ণভাবে রুকূ কর এবং এ-ও ইরশাদ করলেন, এ ব্যক্তি যদি এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে তবে মিল্লাতে মুহাম্মদী সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছাড়া অন্য মিল্লাতে মৃত্যুবরণ করবে। তারপর ইরশাদ করলেন, যে ব্যক্তি পরিপূর্ণভাবে রুকূ করেনা এবং সিজদায় ঠোকর মারে ঐ ভুখার মত যে এক দু’টি খেজুর খেয়ে নেয়, যা কোন কাজ দেয় না। (মু’জামুল কাবীর, ১৫৮)

হাদীস নং-৪:

আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, হুযূর আকদাস সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

أَسْرَقُ النَّاسِ مَنْ يَسْرِقُ صَلَاتَهُ، قِيْلَ: يَارَسُوْلَ اللّٰهِ، وَكَيْفَ يَسْرِ قُ صَلَاتَهُ؟ قَالَ: لَا يُتِمُّ رُكُوْعَهَا، وَلَا سُجُوْدَهَا-

অর্থাৎ- সবচেয়ে বড় চোর সেই, যে নিজ নামায চুরি করে। কেউ আরয করলো, ইয়া রাসুলাল্লাহ! নামায কীভাবে চুরি করে? ইরশাদ করলেন, রুকূ ও সিজদা পুরোপুরিভাবে আদায় করে না। (মুজামুল কাবীর-২০৮)

হাদীস নং-৫:

ইমাম মালিক ও আহমদ হযরত নুমান বিন মুররাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুদূদ বা শরয়ী শাস্তির বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে সাহাবায়ে কেরামগণকে বললেন-

مَا تَقُوْلُوْنَ فِىْ السَّارِقِ، وَالزَّانِيْ، وَشَارِبِ الْخَمْرِ؟ قَالُوْا: اللّٰهُ وَرَسُوْلُهُ أَعْلَمُ قَالَ: هُنَّ فَوَاحِشُ، وَفِيْهُنَّ عُقُوْبَاتٌ، وَشَرُّ السَّرِقَةِ سَرِقَةُ الرَّجُلِ

صَلَاتَهُ- قَالُوْا: يَا رَسُوْلَ اللّٰهِ، وَكَيْفَ يَسْرِقُ صَلَاتَهُ؟ قَالَ: لَا يُتِمُّ رُكُوْعَهَا وَلَا سُجُوْدَهَا-

অর্থাৎ- মদ্যপায়ী ব্যভিচারী ও চোর সম্পর্কে তোমাদের কি ধারণা? সকলে আরয করলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু তা’য়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুব ভাল জানেন। ইরশাদ করলেন, এসব অত্যন্ত মন্দ এবং এতে শাস্তি রয়েছে। আর সবচেয়ে বড় চুরি হচ্ছে, লোক নিজ নামায চুরি করা। আরয করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! নিজ নামায কীভাবে চুরি করে? ইরশাদ করলেন, এভাবে যে, রুকূ ও সিজদা পুরোপুরিভাবে আদায় না করা। (আল মুসান্নাফ ৩৭০/ জা‘মউ বায়ানিল ইলমে ওয়া ফাদ্বলিহি, ৪৮০)

হাদীস নং-৬:

সহীহ বোখারীতে হযরত শফীক থেকে বর্ণিত, হযরত হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন-

رَأَى رَجُلًا لَا يُتِمُّ رُكُوْعَهُ وَلَا سُجُوْدَهُ، فَلَمَّا قَضَىْ صَلَاتَهُ قَالَ لَه حُذَيْفَةُ: مَا صَلَّيْتَ؟ قَالَ: وَأَحْسِبُهُ قَالَ: لَوْمُتَّ عَلَى غَيْرِ سُنَّةِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ-

অর্থাৎ- তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন, রুকূ ও সিজদা পুরোপুরিভাবে আদায় করছে না। যখন সে নামায শেষ করল তিনি তাকে কাছে ডেকে বললেন, তোমার নামায হয়নি। বর্ণনাকারী বলেন, আমার ধারণা হচ্ছে, তিনি এ-ও বলেছেন যে, যদি তুমি এভাবে নামায পড়তে পড়তে মৃত্যুবরণ কর তবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা’য়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দ্বীনের উপর তোমার মৃত্যু হবে না। (বোখারী)

ফজরের নামাজ না পড়ার শাস্তি

আল্লামা ইবনে হযরত মক্কী (রহঃ) ফাজায়েলে আ‘মাল মিনাল জাওয়াযের নামক গ্রন্থে একটি হাদিস উল্লেখ করেন। হাদিসটি হলো নিম্নরূপ : যে ব্যক্তি নামাজের ব্যাপারে অলসতা করে তাকে ১৫ ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে।

আল্লাহ্ পাকের ১৫ টি আজাব সমূহঃ

১.ছয়টি ধরনের শাস্তি দুনিয়াতে
২.তিন ধরনের শাস্তি মৃত্যুর সময়।
৩.তিন ধরনের শাস্তি কবরে।
৪.হাশরের মাঠে তিনটি আজাব

১.ছয়টি ধরনের শাস্তি দুনিয়াতে তাহার জীবনে কোনরূপ বরকত পাইবেনা । আল্লাহ্ তার চেহারা হইতে নেক লোকের চিহ্ন উঠাইয়া লইবেন। যে যাহা কিছু নেক কাজ করবে, তাহার ছওয়াব পাইবেনা। তাহার দোয়া আল্লাহ্ পাকের নিকট কবুলহইবে না।। আল্লাহ্ পাকের সমস্ত ফেরেশতা তাহার উপর অসন্তুষ্ট থাকবে। ইসলামের মূল্যবান নেয়ামত সমূহ হইতে বঞ্চিত করা হইবে ।

২.তিন ধরনের শাস্তি মৃত্যুর সময়। অত্যন্ত দুর্দশাগ্রস্ত হইয়া মৃত্যুবরণ করিবে। ক্ষুধার্ত অবস্থায় মৃত্যু বরন করিবে। মৃত্যুকালে তাহার এত পিপাসা পাইবে যে,তাহার ইচ্ছা হইবে দুনিয়ার সমস্ত পানি পান করিয়া ফেলিতে ।

৩.তিন ধরনের শাস্তি কবরে যেমন- তাহার কবর এমন সংকীর্ণ হবে যে তাহার এক পাশের হাড় অপর পাশের হাড়ের সংগে মিলিত হইয়া চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যাইবে। তাহার কবরে, দিনরাত্রি সবসময় আগুন জ্বালাইয়া রাখা হবে। আল্লাহ্ তাহার কবরে একজন আজাবের ফেরেশ্তা নিযুক্ত করিবেন। তাহার হাতে লোহার মুগুর থাকবে। সে মৃত ব্যক্তিকে বলতে থাকবে যে,দুনিয়ায় কেন নামায পড় নাই। আজ তাহার ফল ভোগ কর। এই বলিয়া ফজর নামায না পড়ার জন্য ফজর হইতে জোহর পর্যন্ত, জোহর নামাযের জন্য জোহর থেকে আছর পর্যন্ত, আছরের নামাযের জন্য আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত, মাগরিবের নামাযের জন্য মাগরিব হইতে এশা পর্যন্ত এবংএশার নামাযের জন্য এশা হইতে ফজর পর্যন্ত লোহার মুগুর দ্বারা আঘাত করতে থাকবে।

৪.হাশরের মাঠে তিনটি আজাব যেমন – একজন ফেরেশতা তাকে পা উপরের দিকে এবং মাথা নিচের দিকে অবস্থায় হাশরের মাঠে লইয়া যাইবে। আল্লাহ পাক তাহাকে অনুগ্রহের দৃষ্টিতে দেখবেন না। সে চির কালের জন্য দোযখী হয়ে নিজের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে থাকবে। নবী করিম (সঃ) বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে আট শ্রেণীর লোকের উপর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট থাকবেন। তাহাদের মুখের আকৃতি অত্যন্ত কুশ্রী ও ভীষণাকার হবে। হাশরের মাঠে প্রত্যেক ব্যক্তি তাহাদিগকে দেখে ঘৃণা করবে। এই কথা শুনার পরে সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! সে সমস্ত লোক কারা?

নবী করীম (সঃ) বললেন —
১.জ্বেনা-কারী
২.অবিচারক বাদশাহ্ বা হাকিম।
৩.মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান।
৪.সুদ-খোর
৫.পরনিন্দাকারী
৬.অন্যায়কারী এবং অত্যাচারী
৭.মিথ্যা সাক্ষীদাতা।
৮ .বে-নামাজী।

এদের মধ্যে বে-নামাজীর শাস্তিই বেশী হবে। বে-নামাজীকে আগুনের পোশাক পড়িয়ে শিকলে বেঁধে আগুনের কোড়া মারতে থাকবে। বেহেশত তাহাকে বলতে থাকবে তুমি আমার দিকে অগ্রসর হয়োনা। দোজখ তাকে বলবে আমি তোমার জন্যই অপেক্ষা করছি। তোমার দ্বারা আমার পেটের ক্ষুধা নিবারণ করব। এই বলে দোজখ তার জিহ্বা দিয়ে ভিতরে নিয়ে যাবে। নবী করীম (সঃ) বলেছেন, জাহান্নাম দোযখের মধ্যে লমলম নামে একটি কুপ আছে। উহা অসংখ্য সাপ বিচ্ছুতে ভর্তি। প্রত্যেকটা সাপ একটি পাড়ের সমতুল্য এবং একটা বিচ্ছু হাতির সমতুল্য হবে।

সেই সমস্ত সাপ বিচ্ছু সবসময় বেনামাজীকে কামড়াতে থাকবে, একবার কামড়ালে সত্তর বছর পর্যন্ত তার যন্ত্রনা থাকবে এবং কারও মৃত্যু হবে না। আল্লাহু আকবার!!!কি ভয়ংকর!!! হে আল্লাহ, আমাদের সবাইকে পাঁচওয়াক্ত নামাজ যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন আর আমাদের সবাইকে এইসব ভয়ংকর আজাব থেকে রক্ষা করুন, এবং আমাদের সবাইকে বিনা হিসাবে জান্নাত নসীব করুন-আমীন।

See more post Best ever ফজরের নামাজ কয় রাকাত সূর্যোদয়ের পর কিভাবে পড়তে হয় হাদিস শিক্ষা শেষে দোয়া কাযা করনীয় নিয়ম স্ত্রী সহবাসের পর নিয়ম সুন্নত না ফরজ কবিতা মেয়েদের না পড়ার শাস্তি 2022

1 COMMENT

  1. […] ‎সেরা স্বার্থপরতা নিয়ে উক্তি হল বিশ্ববিখ্যাত লেখক ও মনীষিদের উক্তি । আপনারা চাইলে আমদের এই পোষ্ট থেকে উক্তি গুলা দেখে নিতে বা সেভ করে রাখতে পারবেন। […]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here